সু প্রিয় পাঠক ,
আসসালামু আলাইকুম ।কুয়াশাঢাকা শীতের সকাল ম্লান রোদে গা এলিয়ে দেওয়া ।তার উপর আবার বছরের শেষ মাস বিজয়ের মাস ডিসেম্বরে আমি আছি আল্লাহ্ র রহমতে ভালই ।আশা করি আপনারাও আমার মত ভাল আছ । বিজয়ের মাস ডিসেম্বরে নিশ্চয় আপনাদের মন দেশ প্রেম ভরপুর ।শ্রদ্ধায় শহিদদের প্রতি বারবার গেয় উঠছেন আমরা তোমা দের ভুলবনা কিংবা যেকোন দেশাত্ব বোধক গানের যে কোন কিছু চরণ ।এই যে আমি স্বাধীনভাবে ব্লগ সম্পাদনা করছি বাংলা ভাষায় লিখছি ।এই চারদিকে খোলা আকাশে মন ভাসিয়ে ঘুড়ে বেড়াতে পারছি ।এই যে প্রাণভরে স্বাধীনতার গন্ধ নিতে পারছি ।এগুলো সম্ভব হল যাদের জন্য তাদের আত্নার মাগফেরাতের জন্য এসো পরম করুনাময় আল্লাহর কাছে হাত তুলিঃ হে আল্লাহ্ যারা নিজের দেশকে যেমন ভাবে ভালবেসে জীবন বিষর্জন দিয়েছে তুমি ও তাদের তেমনি ভাবে ভালবেসে বেহেস্তনসীব কর ।আমীন ।
এসো আমরা সকলে পাঁচ ওয়াক্ত নামাজী হই , আল্লাহ্ র দেখানো পথে চলি এবং প্রাণ ভরে দেশকে ভালবাসি ।
তাহলে আজকে বিদায় আবার আল্লাহ্ চাহেতু কথা হবে মাসিক প্রভাতী ব্লগের দ্বিতীয় সংখ্যা অর্থ্যাত্ জানুয়ারি ২০১১ ইং সংখ্যায় ।আল্লাহ্ হাফিজ ।
--------------------------------------------------------------
Ovi Mail: Making email access easy
http://mail.ovi.com
২৭ ডিসে, ২০১০
বিজয়ের শুভেচ্ছা
--------------------------------------------------------------
Ovi Mail: Making email access easy
http://mail.ovi.com
Ovi Mail: Making email access easy
http://mail.ovi.com
শীঘ্রই আসছে ধারাবাহিক রহস্য উপন্যাসঃছায়া
আপনার যারা রহস্য প্রিয় তাদের জন্য প্রভাতী ব্লগ জানুয়ারি ২০১০ইং সংখ্যা থেকে আসছে ধারাবাহিক রহস্য উপন্যাস মোঃজাবেদ হোসেনেরঃছায়া কাহিনী ।অবশ্যই পড়বেন কিন্তী !
--------------------------------------------------------------
Ovi Mail: Making email access easy
http://mail.ovi.com
--------------------------------------------------------------
Ovi Mail: Making email access easy
http://mail.ovi.com
প্রভাতীর হাসিঃ০১
উকিল এবং চোরের মধ্যে কথা হচ্ছেঃ
উকিলঃসাইকেল চুরি করলে কেন ?
চোরঃস্যার সাইকেলটা কবরস্হানের পাশে ছিল আমি ভাবলুম মরা মানুষের সাইকেল তাই নিয়ে এলুম ।
সংগ্রহেঃএ কে এম আকতার হোসেন ।
১ম বন্ধুঃদুনিয়াতে কোন কিছুই অসম্ভব নয় ।মানুষ পারেনা এমন কোন কাজ নেই ।
২য় বন্ধুঃতাই নাকি দোস্ত ।তাহলে তুমি ঘোমানোর সময় চোখ খোলা রেখে আমাকে একবার দেখিও ।
সংগ্রহেঃমুহাম্মদ ইফতেখারুল ইসলাম ।
দুই বন্ধুর মধ্যে কথা হচ্ছে ।
১ম বন্ধুঃহ্যালো দোস্ত তোমার নাকি জ্বর ?
২য় বন্ধুঃছিল এখন নেই ।
১ম বন্ধুঃতবে কি করে জ্বর সারল তোমার তো ওষুধ খাবার টাকা নেই ।
২য় বন্ধুঃ টাকা নেই বলে কি হয়েছে বুদ্ধি তো আছে কাগজে প্যারাসিটামল লিখে খেয়ে ফেলেছি ।
সংগ্রহেঃ মোঃজাবেদ ভূঁইয়া ।
হাফিজঃ বুঝলি রাকিব আমি সূর্য দেখে সময় বলে দিতে পারি ।
রাকিবঃআমি তো সূর্য না দেখেই সময় বলে দিতে পারি ।
হাফিজঃ আশ্টর্য হয়েঃকিভাবে !
রাকিবঃকেন ঘড়ি দেখে ।
সংগ্রহেঃ জিহাদ ভূইয়া ।
মিনাঃজানিস শিনা আমি কাল হেটে দুই মাইল গেছি ।
শিনাঃআরে ! আমি তো বসে থেকেই পাঁচমাইল ভ্রমন করে এলাম ।
মিনাঃ কিভাবে !
শিনাঃকেন বাসে চড়ে ।
সংগ্রহেঃ কাওছার মোল্লা ।
দাদুর সাথে বসে নাতিও পত্রিকা পড়ছিল ।
নাতি হঠাত্ চিত্কার দিয়ে উঠল ।
নাতিঃছিঃ ছিঃ ছিঃ
দাদুঃ কিরে এত ছিঃ ছিঃ করছিস কেন ?
নাতিঃ এই দেখ কি লিখেছে ,জার্মানির চ্যান্সেলর বন থেকে হেগে এসেছেন ।
দাদুঃ হাসতে হাসতেঃ আরে বোকা বন একটা শহরের নাম হেগ একটা শহরের নাম ।
সংগ্রহেঃসিয়াম ভূঁইয়া ।
ছেলে ও মায়ের মধ্যে কথা হচ্ছে ।
ছেলেঃ মা ভাইয়া না একটা পোকা খেয়ে ফেলে ছে ।
মাঃ বলিস কিরে !
ছেলেঃ ভয় নেই মা আমি ভাইয়াকে পোকা মড়ার ওষুধ খাইয়ে দিয়েছি ।
উকিলঃসাইকেল চুরি করলে কেন ?
চোরঃস্যার সাইকেলটা কবরস্হানের পাশে ছিল আমি ভাবলুম মরা মানুষের সাইকেল তাই নিয়ে এলুম ।
সংগ্রহেঃএ কে এম আকতার হোসেন ।
১ম বন্ধুঃদুনিয়াতে কোন কিছুই অসম্ভব নয় ।মানুষ পারেনা এমন কোন কাজ নেই ।
২য় বন্ধুঃতাই নাকি দোস্ত ।তাহলে তুমি ঘোমানোর সময় চোখ খোলা রেখে আমাকে একবার দেখিও ।
সংগ্রহেঃমুহাম্মদ ইফতেখারুল ইসলাম ।
দুই বন্ধুর মধ্যে কথা হচ্ছে ।
১ম বন্ধুঃহ্যালো দোস্ত তোমার নাকি জ্বর ?
২য় বন্ধুঃছিল এখন নেই ।
১ম বন্ধুঃতবে কি করে জ্বর সারল তোমার তো ওষুধ খাবার টাকা নেই ।
২য় বন্ধুঃ টাকা নেই বলে কি হয়েছে বুদ্ধি তো আছে কাগজে প্যারাসিটামল লিখে খেয়ে ফেলেছি ।
সংগ্রহেঃ মোঃজাবেদ ভূঁইয়া ।
হাফিজঃ বুঝলি রাকিব আমি সূর্য দেখে সময় বলে দিতে পারি ।
রাকিবঃআমি তো সূর্য না দেখেই সময় বলে দিতে পারি ।
হাফিজঃ আশ্টর্য হয়েঃকিভাবে !
রাকিবঃকেন ঘড়ি দেখে ।
সংগ্রহেঃ জিহাদ ভূইয়া ।
মিনাঃজানিস শিনা আমি কাল হেটে দুই মাইল গেছি ।
শিনাঃআরে ! আমি তো বসে থেকেই পাঁচমাইল ভ্রমন করে এলাম ।
মিনাঃ কিভাবে !
শিনাঃকেন বাসে চড়ে ।
সংগ্রহেঃ কাওছার মোল্লা ।
দাদুর সাথে বসে নাতিও পত্রিকা পড়ছিল ।
নাতি হঠাত্ চিত্কার দিয়ে উঠল ।
নাতিঃছিঃ ছিঃ ছিঃ
দাদুঃ কিরে এত ছিঃ ছিঃ করছিস কেন ?
নাতিঃ এই দেখ কি লিখেছে ,জার্মানির চ্যান্সেলর বন থেকে হেগে এসেছেন ।
দাদুঃ হাসতে হাসতেঃ আরে বোকা বন একটা শহরের নাম হেগ একটা শহরের নাম ।
সংগ্রহেঃসিয়াম ভূঁইয়া ।
ছেলে ও মায়ের মধ্যে কথা হচ্ছে ।
ছেলেঃ মা ভাইয়া না একটা পোকা খেয়ে ফেলে ছে ।
মাঃ বলিস কিরে !
ছেলেঃ ভয় নেই মা আমি ভাইয়াকে পোকা মড়ার ওষুধ খাইয়ে দিয়েছি ।
--------------------------------------------------------------
Ovi Mail: Making email access easy
http://mail.ovi.com
প্রবন্ধঃঈদ সর্বজনীন উত্সব
ঈদ আনন্দের ঈদ খুশির ।খুশির বন্যা ঈদ বছরে দু বার আসে ।দুইটি ঈদই ত্যাগের অভুতপুর্ণ মহিমা ।ঈদের আনন্দ শুধু ধনী ব্যাক্তিদের নয় ।এ আনন্দ আমাদের ছোট বড় সবার ।ধনী গরিব সবার ।
--------------------------------------------------------------
Ovi Mail: Making email access easy
http://mail.ovi.com
--------------------------------------------------------------
Ovi Mail: Making email access easy
http://mail.ovi.com
ভুতের গল্প সংকলন০১
(বাংলা দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে অনে ভয়ংকর ভূতের গল্প ছড়িয়ে আছে ।সেইসব ভূতের গল্প প্রতিমাসে একটি করে উপস্হাপন করব মাসিক প্রভাতী ব্লগে )
সংকলনঃ০১
ডাকঘরে ভূত
রামকানাইবাবু সপরিবারে এসেছেন ।ভুবনেশ্বর থেকে ওয়ালটেয়ার ।বদলির চাকরি ।যেতেই হয় ।তবে এবারের বদলিতে তিনি খুশিই হয়েছেন ।ওয়ালটেয়ার স্টেশনে নেমে আরো খুশি হলেন ।কারণ জানুয়ারি মাসে পাখা চলছে প্ল্যাটফর্মে ।ভুবনেশ্বরে এখন ভাল ঠান্ডা ।ওখানে রাতের ডিউটি মানে কাড়ি কাড়ি গরম জামা কাপড় চাপানো ।যাক ভালই হল ।এখন গরম জামা কাপড়ের বালাই নেই ।ভাবতে ভাবতেই মোট ঘাট নিয়ে চললেন ।স্ত্রীকে বললেন,চপলা কেমন দেখছো ? কি বল ? বদলি নিয়ে ভাল করেছি না ? চারদিকে চেয়ে চপলাও দারুন খুশি ।খুশিতে ডগমগিয়ে চপলা বলল ,হ্যা গো , খুব সুন্দর জায়গা ।এর পর একমাস কেটে গেলে ।রাম কানাই বাবু লক্ষ করলেন এখানে রাতে ডিউটি কেউনিতে চায়না ।একদিন শঙ্করা পার্সেল গুলো গুনতে গুনতে ব্যাগে ভরছে ।চিন্না বাবু গালা দিয়ে ব্যাগের মুখ বন্ধ করছে ।সব গুলো ভরা হয়ে গেলে কালো রঙ দিয়ে ব্যাগের গন্তব্যের ঠিকানা লিখে দিলেন ।
রামকানাইবাবু বললেন ,কটা হলরে ?
প্রায় কুঁড়িটা ।শঙ্করা বলল ।এবার আমরা যাই ।রামকানাইবাবু শঙ্করার ভয় মিশ্রিত মুখ দেখে বললেন ,এত ভয় পাস কেন বলতো ?আমতা আমতা করে শঙ্করা বলল , দু একঁদিনেই বুঝবেন । একমাস পেরিয়ে গেল কিছুই তো বুঝলাম না ।শঙ্করা আর চিন্না চলে যেতে তিনি নিজের হাতে পোস্টাপিসে র দরজা বন্ধ করে দিলেন ।ঘড়িটা দেখে নিলেন ।সাড়ে আটটা বাজে ।রাত দশটায় মাদ্রাজ মেইল আসবে ।কোলকাতার ডাক উঠিয়ে তবে তিনি শুবেন ।তিনি চেয়ারে বসে পড়লেন ।ভয়ের একটা কারণ হইত আছে তবে ওসবের কেয়ার রামকানাই বাবু করেন না ।যুবক বয়সে অনেক মরা পুড়িয়েছেন ভূতেরা তার ধারেকাছে আসবেনা ।চেয়ারে বসেই ঢুলছেন রামকানাইবাবু ।হঠাত্ গাড়ির হুইসল শুনে কেপে উঠলেন তিনি ।আরে ট্রেন কিছেড়ে দিল ? কিন্তু মাল ,চিঠিপত্র নিতে তো কেউ এলনা ।ধড়মড় করে উঠে বসতে গেলেন কিন্তু উঠতে পারলেন না ।কিন্তু তিনি তো বসে নেই ? চেয়ার তো পাশের ঘরে রয়েছ ।এটা তো বিশ্রাম নেবার ঘর ।কখন এলেন এই ঘরে ?খাটেই বা শুলেন কখন ?ঠিক তখনই পার্শেল আর চিঠির ব্যাগগুলোর দিকে তাকালেন ।একি !দরজা খোলা !একটাও ঝোলা নেই ।তবে কি.....।তখনই দেখলেন একটা কালো ছায়া বাইরে চলে যাচ্ছে ।রামকানাই বাবু বিছানা ছেড়ে প্ল্যাটফর্মের দিকে ছুটলেন ।হ্যা ট্রেন দাড়িয়ে আছে ।আর. এম .এস .কামরার দিকে যেতেইট্রেন ছেড়ে দিল ।আর . এম .এস এর কামরায় কেউ নেই ।অথচ ডাক গাড়িতে মালগুলো আপনা আপনি উঠে যাচ্ছে ।শেষের বস্তা উঠতেই গাড়ির দরজা বন্ধ হয়ে গেল ।কি মনে করে রামকানাইবাবু ডাক কামড়ার দিকে ছুটতে লাগলেন ।এমন সময় ভয়ঙ্কর ঠান্ডা একটা অদৃশ্য হাত তাকে যেন ছূড়ে ফেলে দিল ।জ্ঞান ফিরতেই রামকানাইবাবু দেখতে পেলেন তিনি তার বাড়িতে ।সব শুনেচপলা বলল ,চল এখান থেকে চলে যাই ।শরীর ভাল হতেই আফিসে আসলেন রামকানাই বাবু ।এমন সময় শঙ্কর এসে বলল ,স্যার কেমন আছেন ? আপনার এত সাহস জানলে আগেই সব খুলে বলতাম ।রামকানাই বাবুকে শঙ্করা বলতে লাগলঃহরি বোস এক কর্মচারি ।ডাক ব্যাগ ট্রেনে উঠাতে রেল লাইন পার হতে গিয়ে ট্রেনে কাটা পড়ে ।পরদিন হাতে একটা দরখাস্ত নিয়ে রামকানাই বাবু জি. পি . ও তে দেখা করেন ।বড়বাবু বললেন , কি বদলি চাই ? না ছুটি চাই ।গয়ায় হরিবোসের পিন্ড দান করতে যাব ।এরপর থেকে হরি বোসের উত্পাত বন্ধ হল ।
--------------------------------------------------------------
Ovi Mail: Making email access easy
http://mail.ovi.com
সংকলনঃ০১
ডাকঘরে ভূত
রামকানাইবাবু সপরিবারে এসেছেন ।ভুবনেশ্বর থেকে ওয়ালটেয়ার ।বদলির চাকরি ।যেতেই হয় ।তবে এবারের বদলিতে তিনি খুশিই হয়েছেন ।ওয়ালটেয়ার স্টেশনে নেমে আরো খুশি হলেন ।কারণ জানুয়ারি মাসে পাখা চলছে প্ল্যাটফর্মে ।ভুবনেশ্বরে এখন ভাল ঠান্ডা ।ওখানে রাতের ডিউটি মানে কাড়ি কাড়ি গরম জামা কাপড় চাপানো ।যাক ভালই হল ।এখন গরম জামা কাপড়ের বালাই নেই ।ভাবতে ভাবতেই মোট ঘাট নিয়ে চললেন ।স্ত্রীকে বললেন,চপলা কেমন দেখছো ? কি বল ? বদলি নিয়ে ভাল করেছি না ? চারদিকে চেয়ে চপলাও দারুন খুশি ।খুশিতে ডগমগিয়ে চপলা বলল ,হ্যা গো , খুব সুন্দর জায়গা ।এর পর একমাস কেটে গেলে ।রাম কানাই বাবু লক্ষ করলেন এখানে রাতে ডিউটি কেউনিতে চায়না ।একদিন শঙ্করা পার্সেল গুলো গুনতে গুনতে ব্যাগে ভরছে ।চিন্না বাবু গালা দিয়ে ব্যাগের মুখ বন্ধ করছে ।সব গুলো ভরা হয়ে গেলে কালো রঙ দিয়ে ব্যাগের গন্তব্যের ঠিকানা লিখে দিলেন ।
রামকানাইবাবু বললেন ,কটা হলরে ?
প্রায় কুঁড়িটা ।শঙ্করা বলল ।এবার আমরা যাই ।রামকানাইবাবু শঙ্করার ভয় মিশ্রিত মুখ দেখে বললেন ,এত ভয় পাস কেন বলতো ?আমতা আমতা করে শঙ্করা বলল , দু একঁদিনেই বুঝবেন । একমাস পেরিয়ে গেল কিছুই তো বুঝলাম না ।শঙ্করা আর চিন্না চলে যেতে তিনি নিজের হাতে পোস্টাপিসে র দরজা বন্ধ করে দিলেন ।ঘড়িটা দেখে নিলেন ।সাড়ে আটটা বাজে ।রাত দশটায় মাদ্রাজ মেইল আসবে ।কোলকাতার ডাক উঠিয়ে তবে তিনি শুবেন ।তিনি চেয়ারে বসে পড়লেন ।ভয়ের একটা কারণ হইত আছে তবে ওসবের কেয়ার রামকানাই বাবু করেন না ।যুবক বয়সে অনেক মরা পুড়িয়েছেন ভূতেরা তার ধারেকাছে আসবেনা ।চেয়ারে বসেই ঢুলছেন রামকানাইবাবু ।হঠাত্ গাড়ির হুইসল শুনে কেপে উঠলেন তিনি ।আরে ট্রেন কিছেড়ে দিল ? কিন্তু মাল ,চিঠিপত্র নিতে তো কেউ এলনা ।ধড়মড় করে উঠে বসতে গেলেন কিন্তু উঠতে পারলেন না ।কিন্তু তিনি তো বসে নেই ? চেয়ার তো পাশের ঘরে রয়েছ ।এটা তো বিশ্রাম নেবার ঘর ।কখন এলেন এই ঘরে ?খাটেই বা শুলেন কখন ?ঠিক তখনই পার্শেল আর চিঠির ব্যাগগুলোর দিকে তাকালেন ।একি !দরজা খোলা !একটাও ঝোলা নেই ।তবে কি.....।তখনই দেখলেন একটা কালো ছায়া বাইরে চলে যাচ্ছে ।রামকানাই বাবু বিছানা ছেড়ে প্ল্যাটফর্মের দিকে ছুটলেন ।হ্যা ট্রেন দাড়িয়ে আছে ।আর. এম .এস .কামরার দিকে যেতেইট্রেন ছেড়ে দিল ।আর . এম .এস এর কামরায় কেউ নেই ।অথচ ডাক গাড়িতে মালগুলো আপনা আপনি উঠে যাচ্ছে ।শেষের বস্তা উঠতেই গাড়ির দরজা বন্ধ হয়ে গেল ।কি মনে করে রামকানাইবাবু ডাক কামড়ার দিকে ছুটতে লাগলেন ।এমন সময় ভয়ঙ্কর ঠান্ডা একটা অদৃশ্য হাত তাকে যেন ছূড়ে ফেলে দিল ।জ্ঞান ফিরতেই রামকানাইবাবু দেখতে পেলেন তিনি তার বাড়িতে ।সব শুনেচপলা বলল ,চল এখান থেকে চলে যাই ।শরীর ভাল হতেই আফিসে আসলেন রামকানাই বাবু ।এমন সময় শঙ্কর এসে বলল ,স্যার কেমন আছেন ? আপনার এত সাহস জানলে আগেই সব খুলে বলতাম ।রামকানাই বাবুকে শঙ্করা বলতে লাগলঃহরি বোস এক কর্মচারি ।ডাক ব্যাগ ট্রেনে উঠাতে রেল লাইন পার হতে গিয়ে ট্রেনে কাটা পড়ে ।পরদিন হাতে একটা দরখাস্ত নিয়ে রামকানাই বাবু জি. পি . ও তে দেখা করেন ।বড়বাবু বললেন , কি বদলি চাই ? না ছুটি চাই ।গয়ায় হরিবোসের পিন্ড দান করতে যাব ।এরপর থেকে হরি বোসের উত্পাত বন্ধ হল ।
--------------------------------------------------------------
Ovi Mail: Making email access easy
http://mail.ovi.com
যৌতুকের যাতাকল ।
যৌতুকের যাতাকলে পড়ে এভাবে ঋন গ্রহনের প্রতি ঝুকে পড়ছে মানুষ ।যৌতুক মানুষ কে ক্রমশই নিয়ে যাচ্ছে ঋনের দিকে ।যেখানে ঋন দান কর্মসূচি চলছে উন্নয়ণ মূলক কাজ করার জন্য এখন যৌতুকের যাতাকলে পড়ে সেই ঋনের টাকা ব্যায় হচ্ছে যৌতুকের মত কুসংস্কারের জন্য ।এ যৌতুক আমাদের সমাজকে গ্রাস করছে বিভিশিকার মত ।তাই আমাদের সবার রুখে দাড়াতে হবে এই যৌতুক প্রথার বিরুদ্ধে ।এসো বন্ধুরা আমরা এক সাথে যৌতুকের বিরুদ্ধে রুখে দাড়ায় এই যৌতুকের বিরুদ্ধে দাড়াই আর বিলুপ্ত করে দিই সমাজ থেকে এমনভাবে যেমনভাবে কোন প্রাণী বিলুপ্ত হয়ে গেলে আর ফিরে না আসে ।
--------------------------------------------------------------
Ovi Mail: Making email access easy
http://mail.ovi.com
--------------------------------------------------------------
Ovi Mail: Making email access easy
http://mail.ovi.com
আলিফ লায়লা প্রথম পর্ব
পর্ব-০১
বহুকাল আগে চীন দেশে রাজবনশাহ নামে একজন ধার্মিক ন্যায়পরায়ণ রাজা রাজত্ব করতেন ।মৃগয়ার প্রতি তাঁর খুবই ঝোক ছিল ।প্রায়ই তিনি সৈন্যসামন্ত নিয়ে মৃগয়ায় বেড়িয়ে নানা জীবজন্তু শিকার করতেন ।এমনি একদিন তিনি গভির অরণ্যের মধ্যে গিয়ে প্রবেশ করলেন ।শিকারে র সন্ধানে কিছুখন ঘোড়াঘোড়িকরার পর তিনি সহসা একটি অদ্ভূদ রঙের হরিণী দেখতে পেলেন ।তিনি আজ পর্যন্ত অস্যংখ বার শিকারে গেছেন ,অসংখ্য হরিণ দেখেছেন কিন্তু এমন হরিণ তিনি জীবনে দেখেন নি ।হরীণটির পিঠের রঙ সোনালী এবং দেহের অন্যান্য অংশ কালো ও নীল রঙের ।হরিনীটি দেখে রাজবনশাহের এতই ভাল লাগল যে ,তাকে জীবন্ত ধরবার আশায় তিনি ঘোড়া ছুটিয়ে তার অনুসরন করলেন ।কিন্তু গভীর বনের মধ্যে হরিণীকে অনুসরণ করা সহজ কাজ নয় ।কাজেই অল্প সময়ের মধ্যেই হরিণীটি সম্রাটের দৃষ্টিপাতের বাইরে চলে গেল ।হরিণীটি চলে যাওয়ায় রাজবনশাহ খুবই দুঃখিত হলেন বটে , কিন্তু হতাশ হলেন না ।সারা অরণ্য তিনি তার সন্ধানে ঘুরে বেড়াতে লাগলেন ।ঘুরতে ঘুরতে এক নদীর নিকট এসে তিনি থমকে দাঁড়ালেন ।দেখলেন নদীর তীরে সেই হরিণীটি শুয়ে রয়েছে ।দেখে সম্রাটের দুই চক্ষু আনন্দে উজ্জ্বল হয়ে উঠল ।তিনি তাকে আহত করবার জন্য যেমনি ধনুকে তীর জুড়েছেন হরিণটি অমনি নদীর জলে লাফিয়ে পড়ে অদৃশ্য হয়ে গেল ।
এই ঘটনায় সম্রাট অত্যন্ত আশ্চর্য হয়ে গেলেন ।তিনি ঘোড়া থেকে নেমে নদীর তীরে বসে রইলেন এবং এক দৃষ্টিতে চেয়ে রইলেন জলের দিকে ।হরিণীটি তার এতই ভাল লেগেছিল যে ,তিনি তার মায়া কাটাতে পারছেন না ।
সৈন্য সামন্তরা সম্রাটের খানিকটা পিছনে পড়ে গিয়েছিল ,একটু পরই তারা সকলে নদীতীরে এসে হাজির হল ।তাদের সঙ্গে একজন উজিরও মৃগয়ায় এসেছিলেন ।উজিরকে ডেকে তিনি হরিণীটির আশ্চর্যজনক ভাবে অদৃশ্য হওয়ার কথা জানালেন ।উজির সব শুনে ঐ সম্পর্কে কোন কথা না বলে শুধু বললেন ,মহারাজ ,দুপুর প্রায় হয়ে এল ,এখনো পর্যন্ত শিকার মিলল না ।আপনি বরং এবার পশ্চিম দিকের অরণ্যে চলুন ।
রাজা বললেন ,উজির ,আজ আর অন্য শিকারে আমার আগ্রহ নেই ঐ হরিণীটিকে পুনরায় দেখবার জন্য আমার মন চঞ্চল হয়ে পড়েছে ।ঐ হরিণীকে আমার চাই ।আমার বিশ্বাস ,জল থেকে ওটা আবার ডাঙায় ওঠবে ,তখনই তীর ছুড়ে ওটাকে আহত করব ।যত্ক্ষন ওর দেখা না পাই ,এই নদীর তীর ছেড়ে আমি একপাও নড়বনা ।আপনি বরং সৈন্যগণকে বলে দিন ,তারা পশ্চিম দিকের অরণ্যে গিয়ে কিছুখন শিকার করুক ,আমি এখানেই রইলাম ।উজির হরিণী সম্পর্কে এবারও কোন উচ্ছবাচ্য না করে সৈন্যগণের কাছে গিয়ে সম্রাটের আদেশের কথা জানালেন ।সৈন্যরা পশ্চিম অরন্যাভিমুখে যাত্রা করল ।উজির ফিরে আসলেন সম্রাটের কাছে ।
ঘন্টা চারেক পর সৈন্যগন কি ছু জন্তু -জানোয়ার নিয়ে ফিরে আসল ।
(চলবে......)
বহুকাল আগে চীন দেশে রাজবনশাহ নামে একজন ধার্মিক ন্যায়পরায়ণ রাজা রাজত্ব করতেন ।মৃগয়ার প্রতি তাঁর খুবই ঝোক ছিল ।প্রায়ই তিনি সৈন্যসামন্ত নিয়ে মৃগয়ায় বেড়িয়ে নানা জীবজন্তু শিকার করতেন ।এমনি একদিন তিনি গভির অরণ্যের মধ্যে গিয়ে প্রবেশ করলেন ।শিকারে র সন্ধানে কিছুখন ঘোড়াঘোড়িকরার পর তিনি সহসা একটি অদ্ভূদ রঙের হরিণী দেখতে পেলেন ।তিনি আজ পর্যন্ত অস্যংখ বার শিকারে গেছেন ,অসংখ্য হরিণ দেখেছেন কিন্তু এমন হরিণ তিনি জীবনে দেখেন নি ।হরীণটির পিঠের রঙ সোনালী এবং দেহের অন্যান্য অংশ কালো ও নীল রঙের ।হরিনীটি দেখে রাজবনশাহের এতই ভাল লাগল যে ,তাকে জীবন্ত ধরবার আশায় তিনি ঘোড়া ছুটিয়ে তার অনুসরন করলেন ।কিন্তু গভীর বনের মধ্যে হরিণীকে অনুসরণ করা সহজ কাজ নয় ।কাজেই অল্প সময়ের মধ্যেই হরিণীটি সম্রাটের দৃষ্টিপাতের বাইরে চলে গেল ।হরিণীটি চলে যাওয়ায় রাজবনশাহ খুবই দুঃখিত হলেন বটে , কিন্তু হতাশ হলেন না ।সারা অরণ্য তিনি তার সন্ধানে ঘুরে বেড়াতে লাগলেন ।ঘুরতে ঘুরতে এক নদীর নিকট এসে তিনি থমকে দাঁড়ালেন ।দেখলেন নদীর তীরে সেই হরিণীটি শুয়ে রয়েছে ।দেখে সম্রাটের দুই চক্ষু আনন্দে উজ্জ্বল হয়ে উঠল ।তিনি তাকে আহত করবার জন্য যেমনি ধনুকে তীর জুড়েছেন হরিণটি অমনি নদীর জলে লাফিয়ে পড়ে অদৃশ্য হয়ে গেল ।
এই ঘটনায় সম্রাট অত্যন্ত আশ্চর্য হয়ে গেলেন ।তিনি ঘোড়া থেকে নেমে নদীর তীরে বসে রইলেন এবং এক দৃষ্টিতে চেয়ে রইলেন জলের দিকে ।হরিণীটি তার এতই ভাল লেগেছিল যে ,তিনি তার মায়া কাটাতে পারছেন না ।
সৈন্য সামন্তরা সম্রাটের খানিকটা পিছনে পড়ে গিয়েছিল ,একটু পরই তারা সকলে নদীতীরে এসে হাজির হল ।তাদের সঙ্গে একজন উজিরও মৃগয়ায় এসেছিলেন ।উজিরকে ডেকে তিনি হরিণীটির আশ্চর্যজনক ভাবে অদৃশ্য হওয়ার কথা জানালেন ।উজির সব শুনে ঐ সম্পর্কে কোন কথা না বলে শুধু বললেন ,মহারাজ ,দুপুর প্রায় হয়ে এল ,এখনো পর্যন্ত শিকার মিলল না ।আপনি বরং এবার পশ্চিম দিকের অরণ্যে চলুন ।
রাজা বললেন ,উজির ,আজ আর অন্য শিকারে আমার আগ্রহ নেই ঐ হরিণীটিকে পুনরায় দেখবার জন্য আমার মন চঞ্চল হয়ে পড়েছে ।ঐ হরিণীকে আমার চাই ।আমার বিশ্বাস ,জল থেকে ওটা আবার ডাঙায় ওঠবে ,তখনই তীর ছুড়ে ওটাকে আহত করব ।যত্ক্ষন ওর দেখা না পাই ,এই নদীর তীর ছেড়ে আমি একপাও নড়বনা ।আপনি বরং সৈন্যগণকে বলে দিন ,তারা পশ্চিম দিকের অরণ্যে গিয়ে কিছুখন শিকার করুক ,আমি এখানেই রইলাম ।উজির হরিণী সম্পর্কে এবারও কোন উচ্ছবাচ্য না করে সৈন্যগণের কাছে গিয়ে সম্রাটের আদেশের কথা জানালেন ।সৈন্যরা পশ্চিম অরন্যাভিমুখে যাত্রা করল ।উজির ফিরে আসলেন সম্রাটের কাছে ।
ঘন্টা চারেক পর সৈন্যগন কি ছু জন্তু -জানোয়ার নিয়ে ফিরে আসল ।
(চলবে......)
--------------------------------------------------------------
Ovi Mail: Making email access easy
http://mail.ovi.com
পদগুচ্ছ০১।মোঃজাবেদ ভূঁইয়া ।
বর্ষা ঋতু
একটি বছর পরে আবার
এল বর্ষা ঋতু ,
সবাই তখন পারি
বৃষ্টির ই হেতু ।
আকাশ ছোয়া দৃষ্টি নোয়া
রিমঝিম বৃষ্টি ,
তাকিয়ে দেখি আমি
রেখে এক দৃষ্টি ।
স্বপ্ন ছোয়া বর্ষা ঋতু
একদিন যাবে চলে ,
তাইত কাদার কল্প্ রেখা
সবার হাসি মলে ।
০৫
________________________
ডিগবাজি
খর পেয়েছি মাটির মাঝে
জমিয়ে ফেল সব কাজী ।
আজকে মোরা হাওয়ার দেশে
যেতে খাব ডিগবাজি ।
ডিগবাজিতে যেতে পারি
আমরা আলোর গতিতে
হেচকা গাছের ক্যাচকা টানে
দোলতে পারি ফুর্তিতে ।
মন্টু মামা টাল্টু ঘোড়া
আনল যখন আজ বাড়ি ।
ডিগবাজিটা রেখে আমি
ছুটি বাড়ি তাত্তারি ।
০৬
বৃষ্টি
ফাকি দিয়ে স্কুল
বৃষ্টি তে ভেজা
ভাল ছেলেদের মতে
এটা নয় সোজা
বৃষ্টিতে ভিজে হায়
সর্দি কাশি লেগেছে
একেবারে জ্বর ভাই
এনেযে সেরছে
বৃষ্টিতে ভিজলাম
মার বকা খেলাম
পরদিন প্রাতে আবার
বৃষ্টিতে ভিজলাম।
বৃষ্টিযে বন্ধু
বৃষ্টিযে শত্রু
বৃষ্টি বৃষ্টি
জলের মিত্র
আমার গাঁয়ের রুপ
B-)B-)B-)B-)B-)B-)B-)B-) দখিনা বাতাসে দোলে
লাউয়ের ডগা গুলি,
শোন,তুমারে শুনাই আমি
আমার গাঁয়ের বুলি।
***
পূর্ব দিকের ধান খেত
সোনালি চাদরে ঢাকা,
সেই মাঠেরই নকশা খানি
আমার মনে আঁকা ।
***
সোনালি গাঁয়ের সোনালী কথা
তুমারে শুন বলি,
কেমন করে দোলে ধানের
কচি শীষ গুলি ।
***
আমার গাঁয়ের মানুষ গুলো
সহজ সরল জানি,
আমি আমার শ্যামল গাঁয়ের
হাজার স্বপ্ন বুনি ।
০৩
___________________
--------------------------------------------------------------
Ovi Mail: Making email access easy
http://mail.ovi.com
একটি বছর পরে আবার
এল বর্ষা ঋতু ,
সবাই তখন পারি
বৃষ্টির ই হেতু ।
আকাশ ছোয়া দৃষ্টি নোয়া
রিমঝিম বৃষ্টি ,
তাকিয়ে দেখি আমি
রেখে এক দৃষ্টি ।
স্বপ্ন ছোয়া বর্ষা ঋতু
একদিন যাবে চলে ,
তাইত কাদার কল্প্ রেখা
সবার হাসি মলে ।
০৫
________________________
ডিগবাজি
খর পেয়েছি মাটির মাঝে
জমিয়ে ফেল সব কাজী ।
আজকে মোরা হাওয়ার দেশে
যেতে খাব ডিগবাজি ।
ডিগবাজিতে যেতে পারি
আমরা আলোর গতিতে
হেচকা গাছের ক্যাচকা টানে
দোলতে পারি ফুর্তিতে ।
মন্টু মামা টাল্টু ঘোড়া
আনল যখন আজ বাড়ি ।
ডিগবাজিটা রেখে আমি
ছুটি বাড়ি তাত্তারি ।
০৬
বৃষ্টি
ফাকি দিয়ে স্কুল
বৃষ্টি তে ভেজা
ভাল ছেলেদের মতে
এটা নয় সোজা
বৃষ্টিতে ভিজে হায়
সর্দি কাশি লেগেছে
একেবারে জ্বর ভাই
এনেযে সেরছে
বৃষ্টিতে ভিজলাম
মার বকা খেলাম
পরদিন প্রাতে আবার
বৃষ্টিতে ভিজলাম।
বৃষ্টিযে বন্ধু
বৃষ্টিযে শত্রু
বৃষ্টি বৃষ্টি
জলের মিত্র
আমার গাঁয়ের রুপ
B-)B-)B-)B-)B-)B-)B-)B-) দখিনা বাতাসে দোলে
লাউয়ের ডগা গুলি,
শোন,তুমারে শুনাই আমি
আমার গাঁয়ের বুলি।
***
পূর্ব দিকের ধান খেত
সোনালি চাদরে ঢাকা,
সেই মাঠেরই নকশা খানি
আমার মনে আঁকা ।
***
সোনালি গাঁয়ের সোনালী কথা
তুমারে শুন বলি,
কেমন করে দোলে ধানের
কচি শীষ গুলি ।
***
আমার গাঁয়ের মানুষ গুলো
সহজ সরল জানি,
আমি আমার শ্যামল গাঁয়ের
হাজার স্বপ্ন বুনি ।
০৩
___________________
--------------------------------------------------------------
Ovi Mail: Making email access easy
http://mail.ovi.com
মহাকাশ+বিজ্ঞান+পরিবেশ=বিজ্ঞান বিশ্ব@D.10
গুগলের স্বয়ংক্রিয় গাড়ী
সবচেয়ে জনপ্রিয় সার্চ ইঞ্জিন ,জনপ্রিয় এনড্রয়েড ফোন আর ওয়েব গাইডেড টেলিভিশনের পর গুগল এবার নতুন চমক দিল স্বয়ংক্রিয় গাড়ী তৈরী করে ।যা রাস্তায় চলবে মানুষের কোনো সাহায্য ছাড়ায় ।যুক্তরাষ্ট্রের কয়েকটি রাস্তায় সম্প্রতি তারা পরীক্ষামূলক ভাবে চালিয়েছে স্ব চালিত সাতটি গাড়ী ।এর মধ্যে আবার একটি গাড়ি চলেছে সান ফ্রান্সিসকোষ লোমবার্ড স্ট্রিটে ,যেটা কিনা যুক্তরাষ্ট্রের অন্যতম বাঁকানো একটি সড়ক ।এই গাড়ি গুলোতে ব্যাবহার করা হয়েছে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাসম্পন্ন বিভিন্ন সফটওয়্যার ।কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাসম্পন্ন এই স্ব চালিত গাড়িকে প্রযুক্তিবিদরা অধিকতর নিরাপদ মনে করেছেন ।কেননা ,গাড়ির রোবট চালক মানুষের চেয়ে দ্রুত সিদ্ধান্ত নিতে এবং বাস্তবায়িত করতে সক্ষম ।
শিশুর দেহে কৃত্রিম হৃত্ পিন্ড
0000000000000 ০০০০০০০০০০০০
বিশ্বে প্রথম বারের মত এক শিশুর শরীরে কৃত্রিম হৃং পিন্ড প্রতিস্হাপন করা হয়েছে ।প্রায় ১০ ঘন্টা অস্ত্রোপাচার করে ১৫বছর বয়সী ওই ইতালীয় শিশুর শরীরে কৃত্রিম হৃত্ পিন্ড প্রতিস্হাপন করেছেন রোমের শিশুহাসপাতালের এন্টনিও এমোডিও ।২.৫ ইঞ্চি লম্বা এ কৃত্রিম হৃত্ পিন্ডটি প্রতিস্হাপন করায় শিশুটি আরো ২০থেকে ৩০বছর স্বাভাবিক জীবন যাপন করতে পারবে ।
প্রথম গোল্ডিলকস গ্রহ
প্রথম বারের মত জ্যোতির্বিদেরা একটি গ্রহের সন্ধান পেয়েছেন ।যার উপস্হিতি মহাকাশের 'গোল্ডিলকস' অঞ্চলে ।গোল্ডিলকস অঞ্চল বলতে বিজ্ঞানীরা এমন একটি জায়গাকে বুঝিয়েছেন যা খুব উষ্ণ বা শীতল নয় ।অর্থ্যাত্ যে অঞ্চল প্রাণের জন্য অনুকূল হতে পারে ।২৯ সেপ্টেম্বর ২০১০ যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল সায়েন্স ফাউন্ডেশন এই আবিষ্কার ঘোষনা করেন ।
গোল্ডিলকস গ্রহটির নাম দেয়া হয়েছে গ্লিয়েসে ৫৮১জি ।
(মাসিক কারেন্ট এফেয়ার্স থেকে গৃহিত)
--------------------------------------------------------------
Ovi Mail: Making email access easy
http://mail.ovi.com
সবচেয়ে জনপ্রিয় সার্চ ইঞ্জিন ,জনপ্রিয় এনড্রয়েড ফোন আর ওয়েব গাইডেড টেলিভিশনের পর গুগল এবার নতুন চমক দিল স্বয়ংক্রিয় গাড়ী তৈরী করে ।যা রাস্তায় চলবে মানুষের কোনো সাহায্য ছাড়ায় ।যুক্তরাষ্ট্রের কয়েকটি রাস্তায় সম্প্রতি তারা পরীক্ষামূলক ভাবে চালিয়েছে স্ব চালিত সাতটি গাড়ী ।এর মধ্যে আবার একটি গাড়ি চলেছে সান ফ্রান্সিসকোষ লোমবার্ড স্ট্রিটে ,যেটা কিনা যুক্তরাষ্ট্রের অন্যতম বাঁকানো একটি সড়ক ।এই গাড়ি গুলোতে ব্যাবহার করা হয়েছে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাসম্পন্ন বিভিন্ন সফটওয়্যার ।কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাসম্পন্ন এই স্ব চালিত গাড়িকে প্রযুক্তিবিদরা অধিকতর নিরাপদ মনে করেছেন ।কেননা ,গাড়ির রোবট চালক মানুষের চেয়ে দ্রুত সিদ্ধান্ত নিতে এবং বাস্তবায়িত করতে সক্ষম ।
শিশুর দেহে কৃত্রিম হৃত্ পিন্ড
0000000000000 ০০০০০০০০০০০০
বিশ্বে প্রথম বারের মত এক শিশুর শরীরে কৃত্রিম হৃং পিন্ড প্রতিস্হাপন করা হয়েছে ।প্রায় ১০ ঘন্টা অস্ত্রোপাচার করে ১৫বছর বয়সী ওই ইতালীয় শিশুর শরীরে কৃত্রিম হৃত্ পিন্ড প্রতিস্হাপন করেছেন রোমের শিশুহাসপাতালের এন্টনিও এমোডিও ।২.৫ ইঞ্চি লম্বা এ কৃত্রিম হৃত্ পিন্ডটি প্রতিস্হাপন করায় শিশুটি আরো ২০থেকে ৩০বছর স্বাভাবিক জীবন যাপন করতে পারবে ।
প্রথম গোল্ডিলকস গ্রহ
প্রথম বারের মত জ্যোতির্বিদেরা একটি গ্রহের সন্ধান পেয়েছেন ।যার উপস্হিতি মহাকাশের 'গোল্ডিলকস' অঞ্চলে ।গোল্ডিলকস অঞ্চল বলতে বিজ্ঞানীরা এমন একটি জায়গাকে বুঝিয়েছেন যা খুব উষ্ণ বা শীতল নয় ।অর্থ্যাত্ যে অঞ্চল প্রাণের জন্য অনুকূল হতে পারে ।২৯ সেপ্টেম্বর ২০১০ যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল সায়েন্স ফাউন্ডেশন এই আবিষ্কার ঘোষনা করেন ।
গোল্ডিলকস গ্রহটির নাম দেয়া হয়েছে গ্লিয়েসে ৫৮১জি ।
(মাসিক কারেন্ট এফেয়ার্স থেকে গৃহিত)
--------------------------------------------------------------
Ovi Mail: Making email access easy
http://mail.ovi.com
ধারাবাহিক উপন্যাসঃরোবট দ্বিতীয় কিস্তি ।
রোবট
দ্বিতীয় কিস্তি
চার
রাত নিঝুম ।সবাই গভির ঘুমে ।কেবল জেগে আছে অভি ।এই শীতের মাঝেও তার কপাল দিয়ে ঘাম ঝরছে । কিছুখন এভাবে কাটার পর অভি তার খাটের নিচ থেকে একটা বাকসোমতন কি একটা বের করল ।
এরমর বাকসোটার ভেতরে যন্ত্রগুলি ভরে নিল ।শুধু ব্যাটারি সংযোগ করার জন্য দুটো তার বাইরে রাখা হল ।অভি এবার স্থির হয়ে রইল কিছুখন তারপর সে ব্যাটারি সংযোগ করতেই রোবট টি বলে উঠলঃ"আসসালামু আলাইকুম অভি "অভি বিস্মিত হয়ে গেল অভি ।একটা রোবট তাকে সালাম দিল ।যে রোবটের মুখে স্বাগতম আর কি করতে চান এদুটো কথার অন্য কোন কথা সে শুনতে পায়নি ।অভিকে চুপ থাকতে দেখে রোবট টি আবার বললঃ"কি ভাবছ অভি সালামের উত্তর নিচ্ছ না কেন ?"অভি বললঃ"তুমি কি রোবট না মানুষ" এবার অভিকে আরও বিস্মিত করে রোবট বললঃ"আমি মোটেও মানুষ নই আমি একটা রোবট ।আমি স্রষ্টার উছিলায় সৃষ্টির সৃষ্টি একটি সামান্য রোবট " রোবট কথাগুলো খুব জোড়ে জোড়ে বলে তাই অভি ব্যাটারির সাথে লাগানো তার ডিসকানেক্ট করে দিল ।অমনি বিপ বিপ করে রোবট টা র চোখ নিভে গেল ।অভি ঘড়ির দিকে তাকাল ।এখন রাত একটা ।এখন ঘুমালে ফজরের নামাজের সময় উঠা যাবেনা ।তার চেয়ে ভাল রোবটাকে একটু নেড়েচেড়ে আগের রোবটার শরিরের মত করা যায় কিনা ।অভি দেখল তার সামনেই আগের রোবটের খোলস পড়ে আছে ।
পাঁচ
আনেক কষ্টে অভি রাত তিনটা নাগাদ আগের রোবটের খোলসে নতুন রোবট টি ভরে নিল ।তারপর সে টেবিল থেকে ব্যাটারি আনতে যাবে এমন সময় অভি শুনে বিপ বিপ বিপ আসসালামু আলাইকুম ।অভি আশ্টর্য হয়ে তাকাল ।ভীষন জ্বালাতো এদেখি এবার ব্যাটারি ছাড়ায় সয়ংক্রিয় হয়ে গেছে ।
(চলবে.....)
লেখাটি কেমন হয়েছে জানাতে নিচে মন্তব্য করুন ।আপনারা খুব সহজে এই ব্লগে লেখা পাঠাতে পারেন ।শুধু মেইল করুন ।সাবজেক্টে লিখুন ।আপানার লেখার বিভাগের নাম যেমনঃগল্প তারপর একটি : দেন ।তারপর লেখুন আপনার গল্প , উপন্যাস , প্রবন্ধের নাম ।এরপর উপরোক্ত চিহ্নটি দিয়ে আপনার নাম ।এবং লেখা মেইল করুন নিমোক্ত ইমেইল ঠিকানায়ঃ
provati_club@ovi.com এ ।
এছাড়া আপনি মেসেজ আকারেও লেখা পাঠাতে পারেন নিমোক্ত মোবাইল নম্বরে ।
+8801744991905এ ।
বিঃদ্রঃআমরা কোন অশ্লিল এবং নকল লেখা গ্রহণ করিনা ।এই ধরনের লেখা পাঠালে আমরা প্রয়োজনে আইননায়োগ ব্যাবস্থা নিতে পারি ।
--------------------------------------------------------------
Ovi Mail: Making email access easy
http://mail.ovi.com
দ্বিতীয় কিস্তি
চার
রাত নিঝুম ।সবাই গভির ঘুমে ।কেবল জেগে আছে অভি ।এই শীতের মাঝেও তার কপাল দিয়ে ঘাম ঝরছে । কিছুখন এভাবে কাটার পর অভি তার খাটের নিচ থেকে একটা বাকসোমতন কি একটা বের করল ।
এরমর বাকসোটার ভেতরে যন্ত্রগুলি ভরে নিল ।শুধু ব্যাটারি সংযোগ করার জন্য দুটো তার বাইরে রাখা হল ।অভি এবার স্থির হয়ে রইল কিছুখন তারপর সে ব্যাটারি সংযোগ করতেই রোবট টি বলে উঠলঃ"আসসালামু আলাইকুম অভি "অভি বিস্মিত হয়ে গেল অভি ।একটা রোবট তাকে সালাম দিল ।যে রোবটের মুখে স্বাগতম আর কি করতে চান এদুটো কথার অন্য কোন কথা সে শুনতে পায়নি ।অভিকে চুপ থাকতে দেখে রোবট টি আবার বললঃ"কি ভাবছ অভি সালামের উত্তর নিচ্ছ না কেন ?"অভি বললঃ"তুমি কি রোবট না মানুষ" এবার অভিকে আরও বিস্মিত করে রোবট বললঃ"আমি মোটেও মানুষ নই আমি একটা রোবট ।আমি স্রষ্টার উছিলায় সৃষ্টির সৃষ্টি একটি সামান্য রোবট " রোবট কথাগুলো খুব জোড়ে জোড়ে বলে তাই অভি ব্যাটারির সাথে লাগানো তার ডিসকানেক্ট করে দিল ।অমনি বিপ বিপ করে রোবট টা র চোখ নিভে গেল ।অভি ঘড়ির দিকে তাকাল ।এখন রাত একটা ।এখন ঘুমালে ফজরের নামাজের সময় উঠা যাবেনা ।তার চেয়ে ভাল রোবটাকে একটু নেড়েচেড়ে আগের রোবটার শরিরের মত করা যায় কিনা ।অভি দেখল তার সামনেই আগের রোবটের খোলস পড়ে আছে ।
পাঁচ
আনেক কষ্টে অভি রাত তিনটা নাগাদ আগের রোবটের খোলসে নতুন রোবট টি ভরে নিল ।তারপর সে টেবিল থেকে ব্যাটারি আনতে যাবে এমন সময় অভি শুনে বিপ বিপ বিপ আসসালামু আলাইকুম ।অভি আশ্টর্য হয়ে তাকাল ।ভীষন জ্বালাতো এদেখি এবার ব্যাটারি ছাড়ায় সয়ংক্রিয় হয়ে গেছে ।
(চলবে.....)
লেখাটি কেমন হয়েছে জানাতে নিচে মন্তব্য করুন ।আপনারা খুব সহজে এই ব্লগে লেখা পাঠাতে পারেন ।শুধু মেইল করুন ।সাবজেক্টে লিখুন ।আপানার লেখার বিভাগের নাম যেমনঃগল্প তারপর একটি : দেন ।তারপর লেখুন আপনার গল্প , উপন্যাস , প্রবন্ধের নাম ।এরপর উপরোক্ত চিহ্নটি দিয়ে আপনার নাম ।এবং লেখা মেইল করুন নিমোক্ত ইমেইল ঠিকানায়ঃ
provati_club@ovi.com এ ।
এছাড়া আপনি মেসেজ আকারেও লেখা পাঠাতে পারেন নিমোক্ত মোবাইল নম্বরে ।
+8801744991905এ ।
বিঃদ্রঃআমরা কোন অশ্লিল এবং নকল লেখা গ্রহণ করিনা ।এই ধরনের লেখা পাঠালে আমরা প্রয়োজনে আইননায়োগ ব্যাবস্থা নিতে পারি ।
--------------------------------------------------------------
Ovi Mail: Making email access easy
http://mail.ovi.com
ধারাবাহিক উপন্যাসঃরোবট প্রথম কিস্তি ।
রোবট
মোঃ জাবেদ হোসেন
প্রথম কিস্তি
এক
আজ স্কুলে স্যারের বেদম পিটুনি খেয়ে বাড়িতে এসে আমার মনটা খিচরে গেল ।আমার কাজ করে দেয়ার জন্য যে রোবট টা নিয়োজিত বাড়ি ঢুকতেইসে বললঃ গুর্ড মর্নিং স্যার ।আমি রেগে গিয়ে বললামঃআরে রাখ তোমার গুর্ড মর্নিং ।সে বললঃ কি হয়েছে স্যার ।আমি এত রেগে গেলাম তাকে তুলে দিলাম একটা আছাড় । ভেঙ্গে খান খান হয়ে গেল রোবটের বডি ।ভিতর থেকে তার আর যন্ত্র গুলো খুলে বেরিয়ে এল ।রোবট ভাঙ্গার শব্দে মা ছুটে এলেন ।মা বললেনঃ কি অভি হয়েছেটা কি রোবটটা এখানে ভেঙ্গে পড়ে আছে কেন ।আমি মার কথায় উত্তর দিতে পারলাম না ।হতভম্ব হয়ে দাড়িয়ে রইলাম ।মা আবার বললেনঃ কিরে কথা বলছিসনা কেন রোবট টা কে ভেঙ্গেছে ।আমি কাঁদ কাঁদ হয়ে বললামঃ ইচ্ছে করে দিইনি মা ।
মা বল্লেন তাহলে কি এমনি তোমার অনিচ্ছা থাকা সত্যেও তোমার হাত দুটো রোবটটাকে ভেঙ্গেফেলল ।আমি বললঃ মা ওই রোবট টাইতো আমার রাগ চড়িয়ে দিল আর তাইতো.....।মা আমার কথা কেড়ে নিয়ে বললঃআর তাই তোমি ওকে আছাড় দিয়ে ভেঙ্গে ফেললে ।আমি মার এইকথার কোন উত্তর পেলাম না ।
দুই
এই ঘটনার পর অভির উপর দিয়ে অনেক ঝঞ্চা ঝঞ্চাট গেল ।মা বললঃতোমার এ ধরনের ব্যাবহারে আমার মনে হচ্ছে তোমাকে ত্যাজ্য পুত্র করি ।অভি ,তা কর না কেন বলতে বলতে বাবা প্রকান্ড শব্দে ধমকে উঠল ।অভি ভয় পেয়ে চুপিয়ে গেল ।
রাত ।অভি নিঃশব্দে তার পড়ার টেবিলে বসে আছে ।হঠাত্ সে তার বইয়ের একপাতায় দেখতে পেল রোবট সার্ভিসিং এর ব্যাপারে কি যেন লেখা আছে ।এই পড়াটা চোখে পড়া মাত্র তার মনে হল আরে আমাদের রোবটাতো আমি সার্ভিসিং করতে পারি ।ভাবতে ভাবতে তার মনে একটা শিহরণ বয়ে গেল এইভেবে যে বাবা মাকে সে খুশি করতে পারে ।
তিন
কিন্তু বারান্দায় ভাঙ্গা রোবটটা নেই ।তবে কি ঝাড়ুদার টিমিটা যন্ত্র গুলো ফেলে দিয়েছে ।আমি মনে মনে বললামঃ ডাস্টবিন থেকে হলেও ঐ যন্ত্র গুলো আমার চাই ই চাই ।আমি ডাস্টবিনে যাবার উদ্দেশ্য পা বাড়াতেই একটা কি যেন আমার ঠেকল ।আমি অন্ধকারে নুয়ে দেখলাম রোবটের যন্ত্র গুলি ।
খুশিতে অভির চোখ চকচক করতে লাগল ।এবার ঘরে গিয়ে দেখি এই রোবটটার সার্ভিসিং করতে পারি কিনা ।এককাজে আমার দু কাজ হয়ে যাবে ।ক্লাশের ব্যাবহারিক ও প্র্যাকটিস করা হবে আবার মা বাবাকে খুশিও করা যাবে ।
(চলবে......)০০০০০০০০০০০০০০০০০০০০০০০০০০০০০০০০০০০০০০০০০০০০০০০০০০০০০০০০০০০০০০০০০০০০০০০০০০০০০০০০০০০.
--------------------------------------------------------------
Ovi Mail: Making email access easy
http://mail.ovi.com
মোঃ জাবেদ হোসেন
প্রথম কিস্তি
এক
আজ স্কুলে স্যারের বেদম পিটুনি খেয়ে বাড়িতে এসে আমার মনটা খিচরে গেল ।আমার কাজ করে দেয়ার জন্য যে রোবট টা নিয়োজিত বাড়ি ঢুকতেইসে বললঃ গুর্ড মর্নিং স্যার ।আমি রেগে গিয়ে বললামঃআরে রাখ তোমার গুর্ড মর্নিং ।সে বললঃ কি হয়েছে স্যার ।আমি এত রেগে গেলাম তাকে তুলে দিলাম একটা আছাড় । ভেঙ্গে খান খান হয়ে গেল রোবটের বডি ।ভিতর থেকে তার আর যন্ত্র গুলো খুলে বেরিয়ে এল ।রোবট ভাঙ্গার শব্দে মা ছুটে এলেন ।মা বললেনঃ কি অভি হয়েছেটা কি রোবটটা এখানে ভেঙ্গে পড়ে আছে কেন ।আমি মার কথায় উত্তর দিতে পারলাম না ।হতভম্ব হয়ে দাড়িয়ে রইলাম ।মা আবার বললেনঃ কিরে কথা বলছিসনা কেন রোবট টা কে ভেঙ্গেছে ।আমি কাঁদ কাঁদ হয়ে বললামঃ ইচ্ছে করে দিইনি মা ।
মা বল্লেন তাহলে কি এমনি তোমার অনিচ্ছা থাকা সত্যেও তোমার হাত দুটো রোবটটাকে ভেঙ্গেফেলল ।আমি বললঃ মা ওই রোবট টাইতো আমার রাগ চড়িয়ে দিল আর তাইতো.....।মা আমার কথা কেড়ে নিয়ে বললঃআর তাই তোমি ওকে আছাড় দিয়ে ভেঙ্গে ফেললে ।আমি মার এইকথার কোন উত্তর পেলাম না ।
দুই
এই ঘটনার পর অভির উপর দিয়ে অনেক ঝঞ্চা ঝঞ্চাট গেল ।মা বললঃতোমার এ ধরনের ব্যাবহারে আমার মনে হচ্ছে তোমাকে ত্যাজ্য পুত্র করি ।অভি ,তা কর না কেন বলতে বলতে বাবা প্রকান্ড শব্দে ধমকে উঠল ।অভি ভয় পেয়ে চুপিয়ে গেল ।
রাত ।অভি নিঃশব্দে তার পড়ার টেবিলে বসে আছে ।হঠাত্ সে তার বইয়ের একপাতায় দেখতে পেল রোবট সার্ভিসিং এর ব্যাপারে কি যেন লেখা আছে ।এই পড়াটা চোখে পড়া মাত্র তার মনে হল আরে আমাদের রোবটাতো আমি সার্ভিসিং করতে পারি ।ভাবতে ভাবতে তার মনে একটা শিহরণ বয়ে গেল এইভেবে যে বাবা মাকে সে খুশি করতে পারে ।
তিন
কিন্তু বারান্দায় ভাঙ্গা রোবটটা নেই ।তবে কি ঝাড়ুদার টিমিটা যন্ত্র গুলো ফেলে দিয়েছে ।আমি মনে মনে বললামঃ ডাস্টবিন থেকে হলেও ঐ যন্ত্র গুলো আমার চাই ই চাই ।আমি ডাস্টবিনে যাবার উদ্দেশ্য পা বাড়াতেই একটা কি যেন আমার ঠেকল ।আমি অন্ধকারে নুয়ে দেখলাম রোবটের যন্ত্র গুলি ।
খুশিতে অভির চোখ চকচক করতে লাগল ।এবার ঘরে গিয়ে দেখি এই রোবটটার সার্ভিসিং করতে পারি কিনা ।এককাজে আমার দু কাজ হয়ে যাবে ।ক্লাশের ব্যাবহারিক ও প্র্যাকটিস করা হবে আবার মা বাবাকে খুশিও করা যাবে ।
(চলবে......)০০০০০০০০০০০০০০০০০০০০০০০০০০০০০০০০০০০০০০০০০০০০০০০০০০০০০০০০০০০০০০০০০০০০০০০০০০০০০০০০০০০.
--------------------------------------------------------------
Ovi Mail: Making email access easy
http://mail.ovi.com
২৪ ডিসে, ২০১০
প্রভাতী ব্লগ
নতুন অঙ্গীকার
আলোর পথের
আলোর পথের
--------------------------------------------------------------
Ovi Mail: Making email access easy
http://mail.ovi.com
বাঘ
জাতীয় পশু বাঘ
--------------------------------------------------------------
Ovi Mail: Making email access easy
http://mail.ovi.com
--------------------------------------------------------------
Ovi Mail: Making email access easy
http://mail.ovi.com
প্রভাতী ইমেইজ পত্রিকা
--------------------------------------------------------------
Ovi Mail: Making email access easy
http://mail.ovi.com
Ovi Mail: Making email access easy
http://mail.ovi.com
পাখির সাথি ফুলের সাথি
দীপু আর অপু
দুই ভাই ।দীপু আর অপু ।দুজনে একটুও মিল নেই ।খালি ঝগরা করে ।মা বলেন, তোমরা ঝগড়া কোরো না ।ঐ দেখ পাখি ।ঝাঁক বেঁধে উড়ে ।ঐ দেখ মৌমাছি ।দল বেঁধে ছোটে ।ঐ দেখ পিঁপড়ে ।সার বেঁধে চলে ।সবার মাঝে কত মিল ।তোমরা দুটি ভাই ।একসাথে থাকবে ।একসাথে পড়বে । একসাথে খেলবে । একসাথে কাজ করবে ।
মায়ের কথা কেউ শোনেনা ।দুজনে ঝগড়া করে ।কোনো কাজ এক সাথে করেনা ।একদিন বিকেলবেলা । দীপু একটা গাছের চারা নিয়ে এল ।ফুলগাছে র চারা ।সে উঠানে মাটি খুড়ল ।চারা বুনল ।গাছের গোড়ায় পানি ঢালল ।অপু সব দেখল ।সে ও গাছের আনল ।উঠানের আরেক পাশে বুনল । তারপর পানি ঢালল ।তবে কেউ বেড়া দিতে পারল না কারণ একা একা বেড়া দেয়া যায়না ।পরদিন সকালবেলা ।দীপু আর অপু যার যার গাছের চারাদেখতে গেল ।দেখল ,চারাগাছ নেই ।দুটোই ছাগলে খেয়েছে । এবার তারা বুঝল ।যে একা সে বোকা ।দুজনে মিলে বেড়া দিলে ভালো হত ।চারা দুটি ছাগলে খেতনা ।দুই ভাই বল্ল'আর একা নয় ।এবার মিলেমিশে কাজ করব ।'দীপু আর অপু আবার চারাগাছ বুনল ।দুজনে মিলে বেড়া দিল ।দুটি গাছ বড় হল ।ফু লে ফুলে গাছের ডাল ভরে গেল ।এখন তাদের মুখে হাসি আর ধরেনা ।
সমাপ্ত
ব্র্যাকের বই থেকে চয়ণ করা ।
--------------------------------------------------------------
Ovi Mail: Making email access easy
http://mail.ovi.com
দুই ভাই ।দীপু আর অপু ।দুজনে একটুও মিল নেই ।খালি ঝগরা করে ।মা বলেন, তোমরা ঝগড়া কোরো না ।ঐ দেখ পাখি ।ঝাঁক বেঁধে উড়ে ।ঐ দেখ মৌমাছি ।দল বেঁধে ছোটে ।ঐ দেখ পিঁপড়ে ।সার বেঁধে চলে ।সবার মাঝে কত মিল ।তোমরা দুটি ভাই ।একসাথে থাকবে ।একসাথে পড়বে । একসাথে খেলবে । একসাথে কাজ করবে ।
মায়ের কথা কেউ শোনেনা ।দুজনে ঝগড়া করে ।কোনো কাজ এক সাথে করেনা ।একদিন বিকেলবেলা । দীপু একটা গাছের চারা নিয়ে এল ।ফুলগাছে র চারা ।সে উঠানে মাটি খুড়ল ।চারা বুনল ।গাছের গোড়ায় পানি ঢালল ।অপু সব দেখল ।সে ও গাছের আনল ।উঠানের আরেক পাশে বুনল । তারপর পানি ঢালল ।তবে কেউ বেড়া দিতে পারল না কারণ একা একা বেড়া দেয়া যায়না ।পরদিন সকালবেলা ।দীপু আর অপু যার যার গাছের চারাদেখতে গেল ।দেখল ,চারাগাছ নেই ।দুটোই ছাগলে খেয়েছে । এবার তারা বুঝল ।যে একা সে বোকা ।দুজনে মিলে বেড়া দিলে ভালো হত ।চারা দুটি ছাগলে খেতনা ।দুই ভাই বল্ল'আর একা নয় ।এবার মিলেমিশে কাজ করব ।'দীপু আর অপু আবার চারাগাছ বুনল ।দুজনে মিলে বেড়া দিল ।দুটি গাছ বড় হল ।ফু লে ফুলে গাছের ডাল ভরে গেল ।এখন তাদের মুখে হাসি আর ধরেনা ।
সমাপ্ত
ব্র্যাকের বই থেকে চয়ণ করা ।
--------------------------------------------------------------
Ovi Mail: Making email access easy
http://mail.ovi.com
এসো কিছু সাধারন জ্ঞান শিখি ।
বাংলাদেশ
----------------------
পর্বঃ০১
১।বাংলাদেশের রাজধানীর নাম কি ?
উত্তরঃঢাকা ।
২।বাংলাদেশ কত সালে স্বাধীন হয় ?
উত্তরঃ১৯৭১ সালে ।
৩।বাংলাদেশের জাতীয় মাছের নাম কি ?
উত্তরঃইলিশ মাছ ।
৪।বাংলাদেশের জাতীয় ফলের নাম কি ?
উত্তরঃকাঁঠাল ।
৫।বাংলাদেশের জাতীয় গাছের নাম কি ?
উত্তরঃআম গাছ ।
৬।বাংলাদেশের জাতীয় ফুলের নাম কি ?
উত্তরঃসাদা শাপলা ।
----------------------
পর্বঃ০১
১।বাংলাদেশের রাজধানীর নাম কি ?
উত্তরঃঢাকা ।
২।বাংলাদেশ কত সালে স্বাধীন হয় ?
উত্তরঃ১৯৭১ সালে ।
৩।বাংলাদেশের জাতীয় মাছের নাম কি ?
উত্তরঃইলিশ মাছ ।
৪।বাংলাদেশের জাতীয় ফলের নাম কি ?
উত্তরঃকাঁঠাল ।
৫।বাংলাদেশের জাতীয় গাছের নাম কি ?
উত্তরঃআম গাছ ।
৬।বাংলাদেশের জাতীয় ফুলের নাম কি ?
উত্তরঃসাদা শাপলা ।
--------------------------------------------------------------
Ovi Mail: Making email access easy
http://mail.ovi.com
প্রভাতী ব্লগের উদ্দেশ্য
প্রভাতী ব্লগের উদ্দেশ্য গুলো নিম্নে বর্ননা করাহল ।
১।ধর্ম বিশ্বাস
২।সাহিত্য
৩।জনসচেতনতা
৪।সুশিক্ষকতা
এছাড়া আরো অনেক বিষয়ের উপর ।
--------------------------------------------------------------
Ovi Mail: Making email access easy
http://mail.ovi.com
১।ধর্ম বিশ্বাস
২।সাহিত্য
৩।জনসচেতনতা
৪।সুশিক্ষকতা
এছাড়া আরো অনেক বিষয়ের উপর ।
--------------------------------------------------------------
Ovi Mail: Making email access easy
http://mail.ovi.com
নরসিংদীর ট্রেন দূর্ঘটনা
নরসিংদীর ট্রেন দূর্ঘটনা
নরসিংদীর প্রতিবেদক
গত ১০ ই ডিসেম্বর নরসিংদী জংশনে ঘটে গেল এক ভয়ানক তান্ডব লীলা ।সুবর্ন এক্সপ্রেস এবং মহাখালি এক্সপ্রেস এর মুখোমুখি সংঘর্ষে থেতলে যায় দুটো ট্রেনের কিছু বগী ।এই দূর্ঘটনায় ঠিক কতজনে র প্রাণহানী ঘটেছে তা এখনো সঠিকভাবে জানা যায়নি ।ধারনা করা হয় স্টশন মাষ্টারের ভুল নির্দেশের ফলে এই দূর্ঘটনা ঘটে ছে ।কিন্তু রায়পুরা সংসদ সদস্য জনাব রাজি উদ্দিন আহম্মদ রাজু ভাই বলেন যে গবেষণা না করে কারো শাস্তি দেয়া হবেন ।তিনি আরো বলেন যে অনুসন্ধান ইতিমধ্যে শুরু হয়ে গেছে আশা করা যায় কিছুদিনের মধ্যে এই ট্রেন দূর্ঘটনার কে বা কারা দায়ী তা জানা যাবে ।এবং তাদে র দৃষ্টান্ত মুলক শা স্তির ব্যাবস্থা ও করা হবে ।
(*উপরের চিত্র সূমুহে এই ট্রেন দুই দিন একদিন এবং ঘটনার দিনের ছবি দেখানো হয়েছে *)
পোস্ট থেকে কুইজ
আপনাদের বলতে হবে নাকি লেখতে হবে ।যে এই ছবিগুলো কোনটি কোন দিনের ।সিরিয়াল অনুসারে এক নাম্বার দিয়ে দিনের নাম লিখুন এবং সেন্ড করুন নিমোক্ত ইমেইল দুটি থেকে যে কো ন একটিতে ।
১।provati_club@ovi.com
২।jabed.bhoiyan@gmail.com
--------------------------------------------------------------
Ovi Mail: Making email access easy
http://mail.ovi.com
নরসিংদীর প্রতিবেদক
গত ১০ ই ডিসেম্বর নরসিংদী জংশনে ঘটে গেল এক ভয়ানক তান্ডব লীলা ।সুবর্ন এক্সপ্রেস এবং মহাখালি এক্সপ্রেস এর মুখোমুখি সংঘর্ষে থেতলে যায় দুটো ট্রেনের কিছু বগী ।এই দূর্ঘটনায় ঠিক কতজনে র প্রাণহানী ঘটেছে তা এখনো সঠিকভাবে জানা যায়নি ।ধারনা করা হয় স্টশন মাষ্টারের ভুল নির্দেশের ফলে এই দূর্ঘটনা ঘটে ছে ।কিন্তু রায়পুরা সংসদ সদস্য জনাব রাজি উদ্দিন আহম্মদ রাজু ভাই বলেন যে গবেষণা না করে কারো শাস্তি দেয়া হবেন ।তিনি আরো বলেন যে অনুসন্ধান ইতিমধ্যে শুরু হয়ে গেছে আশা করা যায় কিছুদিনের মধ্যে এই ট্রেন দূর্ঘটনার কে বা কারা দায়ী তা জানা যাবে ।এবং তাদে র দৃষ্টান্ত মুলক শা স্তির ব্যাবস্থা ও করা হবে ।
(*উপরের চিত্র সূমুহে এই ট্রেন দুই দিন একদিন এবং ঘটনার দিনের ছবি দেখানো হয়েছে *)
পোস্ট থেকে কুইজ
আপনাদের বলতে হবে নাকি লেখতে হবে ।যে এই ছবিগুলো কোনটি কোন দিনের ।সিরিয়াল অনুসারে এক নাম্বার দিয়ে দিনের নাম লিখুন এবং সেন্ড করুন নিমোক্ত ইমেইল দুটি থেকে যে কো ন একটিতে ।
১।provati_club@ovi.com
২।jabed.bhoiyan@gmail.com
--------------------------------------------------------------
Ovi Mail: Making email access easy
http://mail.ovi.com
সুশিক্ষিত সমাজ চাই ।
দিন শুনছি শিক্ষার হার বাড়ছে ।ছোটরা বৃদ্ধরা সবাই আশায় বুক বাঁধে তাহলে দেশ এগিয়ে যাচ্ছে ।কিন্তু বড় হয়ে দেখা যায় শিক্ষার হার ঠিকই বাড়ছে কিন্তু দেশের উন্নতির হার বাড়ছে না ।কেন বাড়ছেনা নিশ্চয় এরকম একটা প্রশ্নের খোচা সবার মনে লাগছে ।বাড়ছেনা কারণ দেশে শিক্ষার হার দিন দিন বাড়লেও কমে যাচ্ছে সুশিক্ষার হার ।যদি আমরা আমাদের সমাজে সুশিক্ষার হার বাড়াতে পারি তবে এই দেশও এগিয়ে যাবে ।
ব্লগটি লিখেছেনঃ মোঃ জাবেদ হোসেন ভুঁইয়া ।
--------------------------------------------------------------
Ovi Mail: Making email access easy
http://mail.ovi.com
ব্লগটি লিখেছেনঃ মোঃ জাবেদ হোসেন ভুঁইয়া ।
--------------------------------------------------------------
Ovi Mail: Making email access easy
http://mail.ovi.com
ড্রামা সিরিয়ালঃ
মা
গদ্য রুপঃমোঃজাবেদহোসেন
পর্ব-এক
ঘুলঘুলিটার রাস্তার পাশে দাঁড়ালে সাদা রঙএর যে প্রকান্ড বাড়িটা দেখা যায় ওটাই মূর্খাজী বাড়ি । মুখার্জি বাড়ির কর্তার নাম অশুথ মুখার্জি । অশুথ মুখার্জীর তিন ছেলে ।বড় ছেলের নাম সতিশ মূখার্জি মেজ ছেলের নাম মনিশ মুখার্জী এবং ছোট ছেলের নাম গনেশ মুখার্জি । অশুথ মুখার্জির একটা বোন অকালে বিধবা হয়ে যাওয়ায় অশুথ মুখার্জিপ তাকে এখানে এনে রেখেছেন ।অশুথ মুখার্জির স্ত্রী পরমা এতদিন নিজ সংসারের চাবি ধরেছিলেন । কিন্তু তাঁর ধৈর্য বাধ ভেঙ্গে গেল । তাই তিনি অশুথ মুখার্জির গিয়ে একদিন বললঃওগো শুনছ ?
অশুথ মুখার্জি বিস্মিত হয়ে বললেনঃ কি শুনব ?
পরমা বললঃএভাবে মুখ বুঝে কানে তুলো দিয়ে বসে থাকলে কি আর চলে বল ।এই ছেলরা বড় হল এদের তো এবার বিয়েথা দিতে হবে ।
অশুথ মুখার্জি অবাক হয়ে বললেন আরে তাই তো এতদিনএই কথা আমার মাথায় আসেনি ।ভা গ্যিস তুমি মনেকরিয়ে দিয়েছিলে ।
পরমা অধৈর্য হয়ে বল লঃআমি বাপু আর একদীনও অপেক্ষা করতে পারব না তুমি আজই ঘটক কে খবর দিবে ।
অশুথ মুখার্জি বল্লঃআচ্ছা ।
--------------------------------------------------------------
Ovi Mail: Making email access easy
http://mail.ovi.com
গদ্য রুপঃমোঃজাবেদহোসেন
পর্ব-এক
ঘুলঘুলিটার রাস্তার পাশে দাঁড়ালে সাদা রঙএর যে প্রকান্ড বাড়িটা দেখা যায় ওটাই মূর্খাজী বাড়ি । মুখার্জি বাড়ির কর্তার নাম অশুথ মুখার্জি । অশুথ মুখার্জীর তিন ছেলে ।বড় ছেলের নাম সতিশ মূখার্জি মেজ ছেলের নাম মনিশ মুখার্জী এবং ছোট ছেলের নাম গনেশ মুখার্জি । অশুথ মুখার্জির একটা বোন অকালে বিধবা হয়ে যাওয়ায় অশুথ মুখার্জিপ তাকে এখানে এনে রেখেছেন ।অশুথ মুখার্জির স্ত্রী পরমা এতদিন নিজ সংসারের চাবি ধরেছিলেন । কিন্তু তাঁর ধৈর্য বাধ ভেঙ্গে গেল । তাই তিনি অশুথ মুখার্জির গিয়ে একদিন বললঃওগো শুনছ ?
অশুথ মুখার্জি বিস্মিত হয়ে বললেনঃ কি শুনব ?
পরমা বললঃএভাবে মুখ বুঝে কানে তুলো দিয়ে বসে থাকলে কি আর চলে বল ।এই ছেলরা বড় হল এদের তো এবার বিয়েথা দিতে হবে ।
অশুথ মুখার্জি অবাক হয়ে বললেন আরে তাই তো এতদিনএই কথা আমার মাথায় আসেনি ।ভা গ্যিস তুমি মনেকরিয়ে দিয়েছিলে ।
পরমা অধৈর্য হয়ে বল লঃআমি বাপু আর একদীনও অপেক্ষা করতে পারব না তুমি আজই ঘটক কে খবর দিবে ।
অশুথ মুখার্জি বল্লঃআচ্ছা ।
--------------------------------------------------------------
Ovi Mail: Making email access easy
http://mail.ovi.com
গল্প
এক
মুলতান রাজ্যের রাজা তাঁর রাজ্য নিয়ে ভীষণ চিন্তায় পড়ে গেলেন ।এমনিতেই বুড়ো হয়ে গেছেন তাঁর উপর যদি এতবড় চাপ পড়ে তবে তিনি তো চিন্তায় পড়বেন ই ।এরপর আবার পার্শবর্তি দেশের রাজার যুদ্ধ ঘোষনা ।এসব ভাবনা চিন্তায় রাজা ক্রমশ আরও বুড়িয়ে যেতে থাকলেন । এভাবে মাস গেল কিন্তু কেওই দুটো সম্স্যা র সমাধান করতে পারেনা ।অবশেষে একটি ছোট ছেলে এসে রাজাকে বল্ল আমি পার ব আপনার সমস্যার সমাধান করতে ।রাজা তাঁর কথায় মুচকি হেসে বল লেন কত বড় ওঝা ফকির দরবেশ ডাক্তার সায়েন্টিস্ট দেখলাম তারা কোন সুরাহা করতে পারলনা আর তুমি কেহে পুচকি সোনা এসে বলছ দুটি সম্ স্যার সমাধান করে ফেলবে ।এবার সেই পুচকে ছেলটি বললঃমহারাজ আপনি আমার উপর ভরসা রাখতে পারেন যুদ্ধ আটকানো এবং আপনার ছেলেক আমি সুস্থ করে তুলব ইনশাল্লাহ্ । ছেলের এই কথা শুনে রাজার মনে ও কিছু আশার সন্চার হল ।রাজা বল্ল ঠিক আছে কিন্তু তুমি কত দিন সময় নেবে ?ছেলেটি কিছুখন কি যেন ভাবল তারপর বললঃতিন দিন ।
--------------------------------------------------------------
Ovi Mail: Making email access easy
http://mail.ovi.com
মুলতান রাজ্যের রাজা তাঁর রাজ্য নিয়ে ভীষণ চিন্তায় পড়ে গেলেন ।এমনিতেই বুড়ো হয়ে গেছেন তাঁর উপর যদি এতবড় চাপ পড়ে তবে তিনি তো চিন্তায় পড়বেন ই ।এরপর আবার পার্শবর্তি দেশের রাজার যুদ্ধ ঘোষনা ।এসব ভাবনা চিন্তায় রাজা ক্রমশ আরও বুড়িয়ে যেতে থাকলেন । এভাবে মাস গেল কিন্তু কেওই দুটো সম্স্যা র সমাধান করতে পারেনা ।অবশেষে একটি ছোট ছেলে এসে রাজাকে বল্ল আমি পার ব আপনার সমস্যার সমাধান করতে ।রাজা তাঁর কথায় মুচকি হেসে বল লেন কত বড় ওঝা ফকির দরবেশ ডাক্তার সায়েন্টিস্ট দেখলাম তারা কোন সুরাহা করতে পারলনা আর তুমি কেহে পুচকি সোনা এসে বলছ দুটি সম্ স্যার সমাধান করে ফেলবে ।এবার সেই পুচকে ছেলটি বললঃমহারাজ আপনি আমার উপর ভরসা রাখতে পারেন যুদ্ধ আটকানো এবং আপনার ছেলেক আমি সুস্থ করে তুলব ইনশাল্লাহ্ । ছেলের এই কথা শুনে রাজার মনে ও কিছু আশার সন্চার হল ।রাজা বল্ল ঠিক আছে কিন্তু তুমি কত দিন সময় নেবে ?ছেলেটি কিছুখন কি যেন ভাবল তারপর বললঃতিন দিন ।
--------------------------------------------------------------
Ovi Mail: Making email access easy
http://mail.ovi.com
লেখা পাঠাতে ।
লেখা পাঠান এই ইমেইল ঠিকানায়
jabed.bhoiyan.image@blogger.com
jabed.bhoiyan.image@blogger.com
লেবেলসমূহ: উপন্যাস , গল্প ,কবিতা ।
লেখা পাঠাতে চান?
--------------------------------------------------------------
Ovi Mail: Making email access easy
http://mail.ovi.com
Ovi Mail: Making email access easy
http://mail.ovi.com
জাতীয় সংগীতওরনসংগীত
জাতীয় সংগীত
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
আমার সোনার বাংলা
আমি তোমায় ভালবাসি
চিরদিন তোমার আকাশ
তোমার বাতাস
আমার প্রাণে
বাজায় বাঁশি
সোনার বাংলা
আমি তোমায় ভাল বাসি
ওমা ফাগুনে তোর
আমের বনে আমি কি
দেখেছি আমি কি দেখছি
মধুর হাসি
সোনার বাংলা
আমি তোমায় ভালবাসি
কি শোভা কি ছায়া গো
কি মায়া গো
কি আচল বিছায়েছ বটের মুলে ।
নদির কূলে কুলে ।
মা তোর বদন খানি
মলিন হলে আমি
ওমা আমি নয়ন জলে ভাসি
সোনার বাংলা আমি তোমায় ভালবাসি ।
রণসংগীত
কাজী নজরুল ইসলাম
চল্ চল্ চল্
উর্ধ্ব গগনে বাজে মাদল
নিম্নে উতলা ধরণী তল ।
চল্ চল্ চল্
উষার দুয়ারেহানি আঘাত
আমরা আনিব রঙিন প্রভাত।
আমরা টুটাব তিমির রাত বাধাঁর বিন্ধা চল ।
[বিজয়ের মাসে বিজয়ে পোস্টগুলি পড়ুন আর দেশপ্রেম উদ্ভুদ হন এই শুভকামনায়ঃসম্পাদকঃপ্রভাতী ব্লগ]
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
আমার সোনার বাংলা
আমি তোমায় ভালবাসি
চিরদিন তোমার আকাশ
তোমার বাতাস
আমার প্রাণে
বাজায় বাঁশি
সোনার বাংলা
আমি তোমায় ভাল বাসি
ওমা ফাগুনে তোর
আমের বনে আমি কি
দেখেছি আমি কি দেখছি
মধুর হাসি
সোনার বাংলা
আমি তোমায় ভালবাসি
কি শোভা কি ছায়া গো
কি মায়া গো
কি আচল বিছায়েছ বটের মুলে ।
নদির কূলে কুলে ।
মা তোর বদন খানি
মলিন হলে আমি
ওমা আমি নয়ন জলে ভাসি
সোনার বাংলা আমি তোমায় ভালবাসি ।
রণসংগীত
কাজী নজরুল ইসলাম
চল্ চল্ চল্
উর্ধ্ব গগনে বাজে মাদল
নিম্নে উতলা ধরণী তল ।
চল্ চল্ চল্
উষার দুয়ারেহানি আঘাত
আমরা আনিব রঙিন প্রভাত।
আমরা টুটাব তিমির রাত বাধাঁর বিন্ধা চল ।
[বিজয়ের মাসে বিজয়ে পোস্টগুলি পড়ুন আর দেশপ্রেম উদ্ভুদ হন এই শুভকামনায়ঃসম্পাদকঃপ্রভাতী ব্লগ]
--------------------------------------------------------------
Ovi Mail: Making email access easy
http://mail.ovi.com
ধারাবাহিক উপন্যাসঃ
পর্বঃ১
দুত্তরি ভীষন খারাপ লাগছে এভাবে রাস্তায় দাড়িয়ে থেকে ।কখন যে বাস আসবে আর কখন যে যাব স্কুলে ।ক্লাস বোধ হয় দু একটা চলে ই গেছে।দাড়িয়ে দাড়িয়ে আর কিইবা করা যায় ।রাস্তার পাশে একটা টাওয়ার আছে ওটাই দেখছি খুটে খুটে ।হঠাং একটা জিনিস দেখে আমার চোখটা বড় বড় হয়ে গেল আর তা হচ্ছে একটা নীল রঙএর পর্দা হঠাত্ টাওয়ার টাকে মুড়ে দিল ।
(চলবে ..).
--------------------------------------------------------------
Ovi Mail: Making email access easy
http://mail.ovi.com
দুত্তরি ভীষন খারাপ লাগছে এভাবে রাস্তায় দাড়িয়ে থেকে ।কখন যে বাস আসবে আর কখন যে যাব স্কুলে ।ক্লাস বোধ হয় দু একটা চলে ই গেছে।দাড়িয়ে দাড়িয়ে আর কিইবা করা যায় ।রাস্তার পাশে একটা টাওয়ার আছে ওটাই দেখছি খুটে খুটে ।হঠাং একটা জিনিস দেখে আমার চোখটা বড় বড় হয়ে গেল আর তা হচ্ছে একটা নীল রঙএর পর্দা হঠাত্ টাওয়ার টাকে মুড়ে দিল ।
(চলবে ..).
--------------------------------------------------------------
Ovi Mail: Making email access easy
http://mail.ovi.com
ধারাবাহিক উপন্যাসঃ
পর্ব১
নীল ছায়াটা আমাকে সারক্ষন ই ঘিরে রেখেছে । আমি বিছানা থেক উঠতে চাইলাম কিন্তু পার লাম না
--------------------------------------------------------------
Ovi Mail: Making email access easy
http://mail.ovi.com
নীল ছায়াটা আমাকে সারক্ষন ই ঘিরে রেখেছে । আমি বিছানা থেক উঠতে চাইলাম কিন্তু পার লাম না
--------------------------------------------------------------
Ovi Mail: Making email access easy
http://mail.ovi.com
এতে সদস্যতা:
পোস্টগুলি (Atom)


















